Back

ন্যাচারাল ডেলিভারিতে বাবু হওয়ার গল্প

আমার ক্লায়েন্ট লুবনা আপুর ন্যাচরাল ডেলিভারিতে বাবু হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। আপু প্রথম থেকে ন্যাচারালের ব্যাপারে আগ্রহী ছিলেন, সেই অনুযায়ী খাওয়া দাওয়া ও এক্সারসাইজ মেইনটেইন করার চেষ্টা করেছেন। আমানি বার্থের ক্লাস সরাসরি করতে চেয়েছিলেন। ৩২ সপ্তাহ হয়ে যাওয়ায় যাতায়াতের অসুবিধার কারনে সেটা সম্ভব হয়নি।

আপুর নার্ভ রিলেটেড প্রবলেম আছে।Fluid কমে ৬ এর কম হয়েছিল, বাবুর মুভমেন্টও কম পেতেন। শেষ পর্যন্ত fluid ৭.৮ হয়েছিল। আপুর ডাক্তার ন্যাচরাল সাপোর্টিভ আলহামদুলিল্লাহ। আপুকে সবরকম সাহায্য করেছেন৷

আপু পিটোসিন নেননি, বসে স্কোয়াট পজিশনে পুশ করেছিলেন। টিয়ার হয়েছিল, এপিসিওটমি লেগেছে৷ আসলে আপুর বেবীর গলায় প্লাসেন্টার কর্ড প্যাচানো ছিল, প্লাসেন্টার সাইজ ছোট হওয়ার কারনেই মুভমেন্ট কম পেতেন।

পেইন উঠার পর থেকে আপু আমার সাথে যোগাযোগ রেখেছেন। আল্লাহ চেয়েছেন দেখেই সবকিছু সম্ভব হয়েছে। আমার অন্যান্য ক্লায়েন্টদের ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে ডাক্তারের কাছে এতটা ফ্লেক্সিবিলিটি ও সাপোর্ট তারা পাননি। পানি ভাঙার পর পেইন উঠার জন্য সময় দেয়া হয়নি বা ফ্লুইড লেভেল ৮ এর কম হলে সি সেকশন করা হয়েছিল। যাই হোক, আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী। আবার এমনও দেখেছি ডাক্তার নরমালের কথা বললেও মা রিস্কের কথা ভেবে ভয় পান।

মা, দৌলা একজন ডাক্তার ও তার টিমের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যখন ন্যাচরাল ডেলিভারি হয় তখন আসলে মন থেকে ভালো লাগে। এখানে কারও চেষ্টা কম না। সবাইকে সমানভাবে কাজ করা লাগে।

ফারইয়াব হাসান
দৌলা, রৌদ্রময়ী স্কুল