Back

লেবারের লক্ষণ নেই ভাবছিলেন যে মা, তার ন্যাচারাল ভিব্যাক হয়েছে — দৌলা ডায়েরী সিরিজ (পর্ব ৪১)

ভিব্যাক তা-ও ন্যাচারাল! আলহামদুলিল্লাহ!! অথচ এই মা ৩৮ সপ্তাহেও ভাবছিলেন, উনার লেবারের কোন লক্ষ্মণ নেই কেন!

আসলে, নরমাল ডেলিভারি এমনই। সবাই পূর্ব লক্ষ্মণ দেখে না। তবে বডি রেডি থাকলে ফুল টার্মের কাছাকাছি গিয়ে হঠাৎই পেইন শুরু হয়ে যেতে পারে। এই মায়ের তেমনটাই হয়েছিল।

প্রিনেটাল কোর্সের রেকর্ড ব্যাচে (অফারে) ক্লাস করেছিলেন এই মা। ৩২ সপ্তাহ থেকে দৌলা সার্ভিস নিয়েছেন। যথাসম্ভব দৌলার পরামর্শ মেনে চলেছেন ও সচেতন ছিলেন।

সেই সাথে, ভালো একজন ভিব্যাক সাপোর্টিভ ডাক্তারও বাছাই করেছিলেন। সুস্থ, স্বাভাবিক প্রেগন্যান্সি ছিল।

ডাক্তার উনাকে ন্যাচারাল পেইন না আসলে ইন্ডিউস করার কথা বলছিলেন। উনি সেটা চাচ্ছিলেন না। চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন ন্যাচারাল পেইন আসার জন্য। অবশেষে ৩৮ সপ্তাহে একদিন ভোরে হালকা ব্যাথা, সাথে ব্রাউনিশ ডিসচার্জ দেখা যায়।

বার্থ প্ল্যান অনুযায়ী ল্যাটেন্ট ফেইজের বেশিরভাগ সময় বাসায় ছিলেন। ভোর থেকে রাত প্রায় ১০টা পর্যন্ত। এর মাঝে ধীরে ধীরে পেইন বাড়ায় হাসপাতালে ভর্তি হন। ভোর ৬টায় বাবু হয়ে যায়, আলহামদুলিল্লাহ!

উনাকে পিটোসিন ও এপশিওটমি দেয়া হয়নি, আল্লাহর রহমতে টিয়ারও হয়নি। ভিব্যাকের কয়েক ঘন্টা পর উনি নিজেই অডিও মেসেজে জানান।

এই মা প্রথম প্রেগন্যান্সিতে লেবার ট্রায়াল দেয়ার সুযোগ পাননি। কিন্তু দ্বিতীয় প্রেগন্যান্সিতে নিজে পড়াশোনা করে, প্রস্তুতি নিয়ে, অভিজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ সুন্দর এক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।

রাবেয়া রওশীন
দৌলা, রৌদ্রময়ী স্কুল
সার্টিফাইড ভিব্যাক দৌলা