Back

প্রেগন্যান্সিতে ইচিং?

প্রেগন্যান্সির সময়ে হরমোনাল নানান ইমব্যালেন্স হয়। এছাড়াও, এলার্জিক খাবার থেকে হোক কিংবা হাইজিনের কারনে হোক, ইচিং এর সমস্যায় কমবেশি অনেক প্রেগন্যান্ট নারীই ভুগে থাকেন।

প্রেগন্যান্সির সময়ে বিশেষ করে ১ম ও ৩য় ট্রাইমেস্টারে, ইচিং সমস্যা খুব বেড়ে যায়। কিছু কারণের মাঝে রয়েছে:

✅ এই সময়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুব কম থাকে, এইজন্যে ইচিং হতে পারে।

✅ এছাড়াও ইংলিশ কমোড ব্যবহারে সতর্ক না হলে, আক্রান্ত কেউ ব্যবহারের পর সেটা ব্যবহার করলে ইচিং সমস্যা হয়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় এমন হয়।

প্রেগন্যান্সির সময়ে, এই সমস্যাটা এড়াতে
কয়েকটা নিয়ম মেনে চলা যায়ঃ

◾সবসময় স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করা। শীতের সময়ে, পানি স্বাভাবিক তাপমাত্রার করে নেয়া গরম পানি মিশিয়ে।

◾ভ্যাজাইনাল এরিয়া সবসময় শুকনো রাখা, টিস্যু দিয়ে না ডলে চেপে চেপে মোছা বা শুকনো সুতির কাপড় নেয়া।

◾গরম পানি ব্যবহার না করা, এতে ইচিং এ ক্ষণস্থায়ী আরাম পাওয়া গেলেও পরে অবস্থা খারাপ হয়, ইচিং বাড়ে।

◾সাবান ব্যবহার কমানো, পারলে পুরোপুরি এড়ানো করা। এটা শুষ্ক করে ত্বক এবং ইচিং বাড়ায়। মৃদু, ক্ষারমুক্ত সাবান (যেমন, কসকো) দেয়া যায়।

◾এলার্জিক খাবার এড়িয়ে চলা।
এটা একেক জনের জন্যে একেক খাবার।
(হাঁস, হাঁসের ডিম, চিংড়ি, গরু, বেগুন, টমেটো, কচুশাক, পালংশাক ইত্যাদি)

◾ডাক্তার দেখিয়ে অয়েন্টমেন্ট লাগানো এবং দিনে/রাতে কিছু সময় বাতাস লাগানো যেন মলমটা কাজ করতে পারে।

ঘেমে গেলে কাজ করবে না মলম।

◾রাতে ইচিং বাড়ে, এই সময়ে মাইন্ড ডাইভার্ট করতে অন্য কাজ করা বা তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পরা।

নিজে কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে, প্রেগন্যান্সির সময়ে ইচিং থেকে বেঁচে থাকা যায়।

প্রতিটা মায়ের প্রেগন্যান্সির জার্নি সুন্দর হোক কারন, সুস্থ মা মানেই সুস্থ শিশু!

ফারিয়া আবেদীন রাফা
নিউট্রিশনিস্ট, রৌদ্রময়ী অনলাইন ক্লিনিক
প্রিনেটাল কোর্স পার্টিসিপ্যান্ট