Back

আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুর দাত ঃ করনীয় ও বর্জনীয়

ছোট আরাফ,বয়স ১১মাস।হামাগুড়ি দিয়ে বিছানা থেকে পড়ে গিয়ে সদ্য ওঠা সামনের দাঁত ভেংগে ফেলল। ওদিকে ১২ বছরের জায়ান স্কুলে বন্ধুর ধাক্কায় পরে গিয়ে চেয়ারের কোণে আঘাত পেয়ে সামনের দাঁত টা পরে গেলো।বাবা মার তখন কি একটা দুশ্চিন্তার সময়।আসুন জেনে নেই এরকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে সাথে সাথে কি করতে হবে।

১. পরে যাওয়া দাঁতে ময়লা কিছু লেগে না থাকলে আর সেটা দাঁতের সকেটে বসানো সম্ভব হলে সেটা বসিয়ে দ্রুত নিকতস্থ দন্ত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে।

 

২. কোনোভাবেই দাঁতের শেকড়ে স্পর্শ করা যাবে না অথবা কোনো কাপড়,টিস্যু  দিয়ে ঘষা দেয়া যাবে না।

 

৩.পড়ে যাওয়া দাঁত স্যালাইন,পাস্তুরিত দুধ অথবা নিজের মুখের জ্বিভের নিচে অথবা গালে অথবা মা বাবা তাদের বাচ্চার দাঁত নিজের মুখের ভেতর রেখে ডেন্টিস্টের কাছে চলে আসতে হবে।

 

৪.দাঁত পড়ে যাওয়ার ৩০-৪০মিনিটের মধ্য ডেন্টিস্টের কাছে পৌছাতে পারলে দাঁত টা টিকে থাকার সম্ভবনা বেশি। যতো সময় গড়াবে ততো দাঁতটি টিকে থাকার সম্ভাবনা কমে আসবে।

 

৫.দাঁত স্প্লিন্টিং করা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো চলতে হবে।

 

৬.পাঁচ বছরের নিচে বাচ্চাদের দুধ দাঁত পরে গেলে না ভেংহে গেলে চিন্তার কোনো কারণ নেই।একজনের ডেন্টিস্টের পরামর্শে এক্স রে করে নিচের স্থায়ী দাঁতের ক্ষতি হয়েছে কিনা পরীক্ষা করে দেখতে হবে।এক্ষেত্রে দুধ দাঁত পুনরায় প্রতিস্থাপনের দরকার নেই।ব্যাথানাশক ট্যাবলেট বা সিরাপ খাওয়ালে বাচ্চা আরাম পাবে।

 

 সব শেষে বলবো দুর্ঘটনা ঘটে গেলে আতংক ভয় মনের মধ্যে চেপে রেখে দ্রুত ডাক্তারের কাছে নিলেই ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হবে।

 

ডা.সৈয়দা জান্নাতুন নাঈমা

বিডিএস

ঢাকা ডেন্টাল কলেজ হাসপাতাল